ইউটিউবের সদর দপ্তরে গুলি, হামলাকারীর আত্মহত্যা

0
147

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার উত্তরাঞ্চলে ইউটিউবের সদর দপ্তরে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুরে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

একটি হ্যান্ডগান নিয়ে আক্রমণ করা ওই হামলাকারী একজন নারী। তিনি হামলায় তিনজনকে গুলিবিদ্ধ করার পর নিজে আত্মহত্যা করেছেন।

সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৩৬ বছর বয়সি একজন পুরুষ আহত হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই লোকটি হামলাকারীর প্রেমিক। এ হামলায় আহত অপর দুইজন হলেন ৩২ ও ২৭ বছর বয়সি নারী।

পুলিশ জানায়, ওই নারী মধ্যাহ্ন ভোজের সময় উঠান হয়ে সদর দপ্তরের খাবার ঘরে প্রবেশকালে গুলি ছুঁড়তে শুরু করেন।

হামলাকারী নারীর পরিচয় এবং কী কারণে তিনি হামলা করেছেন সেটি এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।

তবে দ্য সান জোসে মারকারি নিউজ নামের একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছেন, গৃহবিবাদসংক্রান্ত ক্ষোভ থেকে প্রেমিককে লক্ষ্য করে তিনি এ হামলা চালান।

ক্যালিফোর্নিয়ার সান ব্রুনোর ইউটিউবের ওই অফিসে প্রায় ২০০০ কর্মী রয়েছেন। ইউটিউব কর্তৃপক্ষ জানায়, হামলার সময় ইউটিউবের কর্মীরা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন। তারা যে যেভাবে পারেন সদর দপ্তর থেকে পালিয়ে রাস্তায় গিয়ে আশ্রয় নেন। হামলাকারী নারী প্রথমে তিনজনকে গুলিবিদ্ধ করেন। এরপর নিজেকে গুলি করে আত্মহত্যা করেন।

ইউটিউবের প্রোডাক্ট ম্যানেজার টড শেরম্যান এ ঘটনায় প্রথমে ভেবেছিলেন ভূমিকম্প হচ্ছে, এজন্য সবাই ছোটাছুটি করছে। পরে জানতে পারেন যে, এক ব্যক্তি বন্দুক নিয়ে হামলা করেছে।

তিনি বলেন, ‘ঠিক সে সময় সব নতুন ব্যক্তিকেই আমার কাছ হামলাকারী মনে হচ্ছিল। অন্য আরেকজন বলেন যে, হামলাকারী পেছনের দরজার দিকে গুলি ছুঁড়ছে এবং পরে নিজেকে গুলি করে আত্মহত্যা করেছে।’

শেরম্যান বলেন, ‘এরপর আমি নিচের দিকে তাকালাম। সেখানে মেঝেতে ও সিঁড়িতে রক্ত দেখতে পেলাম। হামলার আশঙ্কা আছে কি না যাচাই করে আমরা সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে যাই এবং সদর দপ্তরের বাইরে চলে যাই।’

এ ধরনের হামলা সাধারণত পুরুষরা করে থাকে। এফবিআইয়ের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, ২০০০ থেকে ২০১৩ এর মধ্যে এ ধরনের ১৬০টি হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের মধ্যে মাত্র ছয়জন নারী ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here