“দেশ গড়তে তরুণদের কাজে লাগাবো” শেখ হাসিনা

0
82

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানের ইয়ুথ ক্লাব মাঠে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শেখ হাসিনা বলেন।

নৌকায় ভোট দিয়ে স্বাধীনতা এসেছে, নৌকায় ভোট দিয়ে জীবনমান উন্নত হয়েছে। নিজেদের ভাগ্য গড়তে আসিনি। ক্ষমতায় এসে হাওয়া ভবন তৈরি করিনি। এতিমদের টাকা মারিনি।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশবাসীর কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে শেখ হাসিনা বলেছেন, আজ নৌকার পালে হাওয়া লেগেছে, নির্বাচনে নৌকার জয় হবে। আমরা আবারও সরকার গঠন করে আপনাদের সেবা করবো।

তিনি বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সমালোচনা করে এবং আওয়ামী লীগের সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে আরও বলেছেন, ধানের শীষ মানেই দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ, অর্থপাচার, এতিমের টাকা আত্মসাৎ। আর নৌকা মানেই স্বাধীনতা, সমৃদ্ধি, জনগণের ভাগ্যবদল ও কল্যাণ, যার শুভফল মানুষ ভোগ করছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার পরিচালনা করে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য, নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য নয়; এতিমের টাকা মেরে দেয়ার জন্য নয়।  এতিমের অর্থ আত্মসাৎ করলে শাস্তি তো পেতেই হবে। এটা কোরআনেই লেখা আছে।

শেখ হাসিনা বলেন, এরপর তারা শুরু করলো অগ্নি সন্ত্রাস। আপনারা নিজেরাই একবার চিন্তা করে দেখেন, কেউ কখনো কোনো

মানুষ মানুষকে পুড়িয়ে মারতে পারে? তারা জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে, মসজিদ পুড়িয়েছে কোরআনে আগুন দিয়েছে। বাসের ভিতর হেল্পার পুড়ে অঙ্গার হয়ে আছে, এমন দৃশ্য আপনারা দেখেছেন। ছোট্ট শিশুরা পর্যন্ত রেহাই পায়নি। এদের ভিতরে যদি বিন্দুমাত্র মনুষ্যত্ব থাকত জীবন্ত মানুষকে ককটেল মেরে আগুন দিয়ে পোড়াতে পারত না।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ শুধু বিত্তশালী নয়, নিম্নবিত্তদের কথা চিন্তা করে কাজ করে রাজনীতি করে। তাদের সুযোগ সুবিধার কথা চিন্তা করে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতির লক্ষ্যই হচ্ছে দেশের মানুষের জীবনমান উন্নত করা। আর আমরা সেই কাজটাই করে যাচ্ছি। এ অভিযাত্রাকে এগিয়ে নিতে একাদশ জাতীয় নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিন।

‘যারা বিত্তশালী শুধু তাদের মুখের দিকে তাকিয়ে নয়, যারা নিম্নবিত্তশালী তাদের দিকে তাকিয়ে রাজনীতি করে আওয়ামী লীগ। তাদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার জন্য বিভিন্ন প্রকল্প আমরা হাতে নিয়েছি। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের মানুষের জীবন মান উন্নয়ন করা। একটা সময় ছিল যখন একজন দিনমজুর দুই-তিন কেজি চাল কিনতে পারতো, এখন তারা ৮-১০ কেজি চাল কিনতে পারে, মাছ কিনতে পারে; সবজি কিনতে পারে।’

‘আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশ আমরা করে দিয়েছি। এই উন্নয়নের ধারা আমরা অব্যাহত রাখতে চাই। জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসের কোন স্থান বাংলাদেশ নেই। আপনাদের মনে আছে এই গুলশানে হলি আর্টিজানে যখন জঙ্গি আক্রমণ হলো, তখন কী অবস্থা হয়েছিলো।’

‘মাত্র ৮-৯ ঘন্টায় পরিস্থিতি আমরা নিয়ন্ত্রণে আছি। দুর্ভাগ্য সেখানে বেশ কিছু বিদেশী মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, আমার দেশের মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। যারা নিহত হয়েছিলেন আমরা তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই’, বলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here