মুক্তিযুদ্ধ স্বপক্ষের সরকারের কাছে আদিবাসীদের প্রত্যাশা

0
61

একাদশতম জাতীয় নির্বাচনে ব্রুট মেজরিটি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করেছেন। যারা আওয়ামী লীগের ঘোর সমর্থক, তারাও বিপুল আসনে বিজয়ে আর্শ্চান্বিত ও চমৎকৃত হয়েছেন। নৌকা মার্কার আশাতীত সাফল্যে মানুষের আশা-প্রত্যাশার ঝাঁপিও টুইটুম্বর হয়ে পড়েছে। শুধু জনমানুষের নয়, দেশের জাতিগত সংখ্যালঘু আদিবাসীদের প্রত্যাশার সীমানাও বিস্তৃত হয়েছে। তবে হ্যাঁ, দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতিগত সংখ্যালঘু আদিবাসীরা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ দলকেই সমর্থন ও পক্ষাবলম্বন করেছেন। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদও অভিমত প্রকাশ করেছে, ‘এবারের নির্বাচনে ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘুরা শঙ্কাহীনভাবে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগে সক্ষম হয়েছেন। সাম্প্রদায়িকতা এবং ধর্মান্ধতাকে কোনো রাজনৈতিক দল ব্যবহার করেনি। আমরা এটিকে ইতিবাচক মনে করি। আমরা এ জন্য সরকার, নির্বাচন কমিশনসহ সব রাজনৈতিক দলকে আন্তরিক ধন্যবাদও কৃতজ্ঞতা জানাই’ (প্রথম আলো ৫ জানুয়ারি ২০১৯)। মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যে অসামান্য সাহায্য-সহযোগিতা, খোঁজ খবর তা আদিবাসী প্রবীণদের কৃতজ্ঞতার বাক্যে আজো উচ্চারিত হয়ে চলেছে। উত্তসূরীরা সেই প্রেক্ষাপট থেকে বরাবরই মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের রাজনৈতিক দলের পক্ষে অবস্থান ও সমর্থন দিয়ে আসছেন।
জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে জাতিগত সংখ্যালঘুদের বিষয়টি অনুজ্জ্বলই ছিলো। বিগত বছরগুলোর তুলনায় ২০১৮-এর ইশতেহারে কম জায়গা দেওয়া হয়েছে। ৩.১৮ শিক্ষা-তে বলা হয়েছে, ‘…নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষায় শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করে প্রয়োজনীয় বই বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে…।’ অতঃপর ৩.২৯ ‘ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও অনুন্নত সম্প্রদায়’-এ রয়েছে, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির যেসব ধারা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি, সেগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভূমিতে প্রকৃত স্বত্ত্বাধিকারীদের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে। জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন করা হবে। সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র নৃ-জাতিগোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্যমূলক সকল প্রকার আইন ও ব্যবস্থার অবসান করা হবে’।
আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারই জাতিগত সংখ্যালঘু আদিবাসীদের নতুন নামকরণ করেছেন। পবিত্র সংবিধানে সাংবিধানিক নামকরণ করে যেমন স্থায়ীরূপ ও সম্মানিত করেছেন, অপরদিকে হৃদয়ের রক্তক্ষরণও বাড়িয়েছেন। সংবিধানের ২৩ ক. তে বলা হয়েছে, ‘রাষ্ট্র বিভিন্ন উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের অনন্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আঞ্চলিক সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও বিকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।’ তবে হ্যাঁ, আমরা বরাবরই ‘উপজাতি’ ‘ক্ষুদ্র জাতিসত্তা’ ‘নৃ গোষ্ঠী’ ও সম্প্রদায়ের অনন্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ’-এর সংজ্ঞা খুঁজে ফিরেছি। আমরা আমাদেরকে বৈশিষ্ট্যের আলোকে আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়েছি। রাষ্ট্রীয় গোলকধাঁধায় আদিবাসীরা নিজেদেরকে অসহায় ও অবহেলিত চিন্তা করতে বাধ্য হচ্ছে। ‘উপজাতি’ ‘ক্ষুদ্র জাতিসত্তা’ ‘নৃ গোষ্ঠী’ ও সম্প্রদায়ের অনন্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ’-এর রাষ্ট্রীয় সংজ্ঞা খুবই আবশ্যিক।
বিগত বছর আদিবাসীরা কোটা বহাল নিয়ে রাজপথে দাঁড়িয়েছে। জাতিগত সংখ্যালঘুদের কোটার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে বির্তক থাকলেও সত্যি কথা হচ্ছে:- দু-একটি আদিবাসী জাতিগোষ্ঠী ছাড়া সবার জন্যই কোটা পদ্ধতির বিকল্প চিন্তা করা যায় না। আমরা পর্যবেক্ষণ করেছি, পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় সমন্বিত সমাজ উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার ও ইউনিসেফের আর্থিক সহযোগিতায় প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ে ৩২০ কোটি টাকা প্রাক্কালিত ব্যয় বাস্তবায়িত হয়েছে। এই প্রকল্পের উল্লেখযোগ্য অর্জনসমূহ নিম্নরূপ:-
১. ৪ হাজার পাড়াকেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে প্রত্যন্ত পার্বত্য এলাকায় ১ লাখ ৬৫ হাজার ৩৪৩ পরিবারকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, পানি, পয়ঃব্যবস্থা ইত্যাদি মৌলিক সেবা প্রদান করা হচ্ছে;
২. প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৩টি প্রশিক্ষণকেন্দ্র মেরামত ৫ হাজার ১০৯ পাড়াকর্মীকে মৌলিক প্রশিক্ষণ, ৪ হাজার ৩৪২ পাড়াকর্মীকে সঞ্জিবনী প্রশিক্ষণ, ৪০৩ জন কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ, ৩২ হাজার ৮৪০ জনকে চাকরিকালীন প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে;
৩. প্রকল্পভিত্তিক তিন-পাঁচ বছর বয়সী ১ লাখ ৭৩ হাজার ১৬৫ শিশুকে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য প্রস্তুতকরণের লক্ষ্যে পাড়াকেন্দ্রে শিশু বিকাশ ও প্রাক্-শিক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ৪ হাজার পাড়াকেন্দ্রে শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করা হয়েছে;
৪. বর্তমানে ৪ হাজার পাড়াকেন্দ্রে ৫৪ হাজার শিশু প্রি-স্কুলে অধ্যয়নরত। পাড়াকেন্দ্র থেকে ২ লাখের বেশি শিশু প্রাক্-প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে।
আসলে একটি অঞ্চলের চিত্র দিয়ে জাতিগত সংখ্যালঘু আদিবাসীদের কোটা পদ্ধতি বাতিলের বিষয়টি আমাদেরকে হতাশ করেছে। নির্বাচনের পূর্বে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিগত ২৮ অক্টোবর রাজধানীস্থ বেইলী রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সের উদ্বোধনকালে মহানুভবতার বাণী উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘যদিও আমরা কোটা প্রত্যাহার করেছি। তারপরও আমার নির্দেশ আছে পাবলিক সার্ভিস কমিশনকে বলে দিয়েছি, পার্বত্য অঞ্চল বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী পাহাড়ি হোক, সমতল ভূমি হোক, সেখানে যে প্রার্থী থাকবে; তারা সব সময় অগ্রাধিকার পাবে। এটা আমরা ব্যবস্থা করে দিচ্ছি এবং করে দেব; সেটা আপনাদের আমরা কথা দিতে পারি।’ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমরা আপনার দয়া, ভালোবাসা, মহানুভবতায় সিক্ত হয়েই কোটা পদ্ধতির পুনর্বহাল প্রার্থনা করি।
ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুরা নিজ নিজ মাতৃভাষায় প্রাক্-প্রাথমিক পর্যায়ে অধ্যয়ন করবে, সেটির স্বপ্নের বাস্তবায়ন করেছে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সরকার ‘আওয়ামী লীগ’ নেতৃত্বাধীন সরকার। ৬টি জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে ৫টি (গারো, চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, উরাঁও) মাতৃভাষায় পাঠদান বাস্তবায়িত হলেও আদিবাসী সাঁওতালদের পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন, শিক্ষাদান কার্যক্রম ঠাঁই হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এক্ষেত্রে বর্ণমালা বির্তককে উসকে দিয়ে বাম রাজনৈতিক দলের কূটনৈতিক শক্তির কাছে বৃহদাংশের মতামতকে বারবার উপেক্ষা করে মাতৃভাষার বর্ণমালাকে অকোজ করার প্রচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন। মাতৃভাষা দিবস স্বপ্নযাত্রীর দেশে কোনো একটি মাতৃভাষাও অসংরক্ষিত থাকার চিন্তা করা অন্যায়ই নয়, এটি অপরাধ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমরা এ বিষয়ে সরাসরি আপনার হস্তক্ষেপ কামনা করি।
স্বাধীনতার পর থেকে যতবার সরকার গঠিত হয়েছে, নারীদের সংরক্ষিত আসনেও সমতলভূমির আদিবাসীরা সংসদীয় স্বাদ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এবারের নির্বাচনী ইশতেহারে লক্ষ্যে করেছিÑ ৩.১২ ‘নারীর ক্ষমতায়ন’ “বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ‘জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ’ এবং রাষ্ট্র ও জনজীবনের সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। নারীর প্রতি সকল বৈষম্যমূলক আচরণ/প্রথা বিলোপ করা হবে।” ইতিপূর্বে পার্বত্য অঞ্চল থেকে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ পেয়েছেন অধ্যাপিকা এথিন রাখাইন। এবারেও পার্বত্য অঞ্চলের সংসদীয় আসনগুলো থেকে ৩ জন নির্বাচিত হয়েছেন, অপরদিকে গারো অধ্যুষিত এলাকা থেকেও জুয়েল আরেং জনরায়ে নির্বাচিত হয়েছেন। সেক্ষেত্রে বৃহত্তর উত্তরবঙ্গের আদিবাসীদের মুখপত্র, তাদের দুঃখ-বেদনা, চাওয়া-পাওয়া, প্রত্যাশার কথা বলার জন্য সংরক্ষিত আসনে আদিবাসী নারীকে নির্বাচিত করার জোর দাবি জানাই।
মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সরকারের কাছে আমাদের আরজ, এখন অনেক আদিবাসী মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন স্বীকৃতিহীন অবস্থায়। স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের প্রচ্ছন্ন প্রভাব, আদিবাসীদের নিজেদের অজ্ঞতা, ঝামেলাযুক্ত পরিস্থিতিকে এড়িয়ে যেতে তারা অভ্যস্ত বিধায় অনেকটা ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও স্বীকৃতিহীন অবস্থায় জীবনযাপন করে চলেছেন। দু-একজনকে জানি, যারা সহজেই বলে থাকেন, আমরা দেশের জন্য লড়াই করেছি, দেশ আজ মুক্ত, স্বাধীন। দেশের প্রতি আমাদের কর্তব্য আমরা করেছি, এখন দেশ যদি আমাদের খোঁজ খবর না নেয়, এটির দায়ভার কে নেবে! মহান মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসব আমরা উদ্যাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছি, অথচ এখনো নিভৃত গ্রামে স্বীকৃতিহীন অবস্থায় মুক্তিযোদ্ধারা থাকবেন এটি কখনো স্বীকার্য নয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিনতী জানায়, দেশের পক্ষে যারা অস্ত্র ধরেছিলেন, দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে যারা ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন; তাদের স্বীকৃতি দেওয়া সরকারের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব, স্বীকার করেই গৌরবান্বিত করুন। .
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা’র লক্ষ্যে বৈষম্য বিলোপ আইন, জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠনের কথা ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আঁচ করতে পেরেছিলেন বলেই এক ভাষণে বলেছিলেন, “যারা জনগণের সম্পদ চুরি করে, যারা আমার গরিবের মুখের গ্রাস কেড়ে নেয়, যারা দুর্নীতিবাজ, মজুতদার, চোরাকারবারী ‘মানুষ’ না। যে মানুষকে ধর্মের ভিত্তিতে বিভক্ত করে সেই সাম্প্রদায়িক পশু মানুষ না। যে ক্ষমতার দম্ভে ধরাকে সরা জ্ঞান করে আমার দলে তাদের স্থান নেই।” বঙ্গবন্ধু একটা কথা বারবার বলেছেন, ‘সোনার বাংলা গড়তে হলে সোনার মানুষ চাই। আমরা যদি সোনার মানুষ না হই, আমরা যদি জনগণের আস্থাভাজন সেবক না হই, আমরা যদি জনগণের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জন করতে না পারি, তাহলে ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তদান ব্যর্থ হয়ে যাবে। আমাদের স্বাধীনতা ব্যর্থ হয়ে যাবে।’ তিনি ১৯৭৪-এর এই ভাষণে দ্ব্যর্থবোধক ভাষায় বলেছেন, ‘আবর্জনা যতই যায়, ততই মঙ্গল। …তাতে প্রতিষ্ঠানের কোনো ক্ষতি হয় না। যাদের আদর্শ নাই, যাদের নীতি নাই, যারা দুর্নীতিবাজ, যারা দেশকে ভালোবাসে না, তারা যদি প্রতিষ্ঠান থেকে বের হয়ে যায় (অথবা তাদের বের করে দেওয়া হয়); তাতে প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হয় না। প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী হয়। তাই ভবিষ্যতেও এ ধরনের লোক প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দিয়ে আওয়ামী লীগকে আপনাদের আরও শক্তিশালী করতে হবে।’ আওয়ামী লীগ থেকেই জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু প্রার্থীদের জিতিয়ে আনা হয়েছে; ইতিপূর্বেও বিজয়ী এবং দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। তারপরও এরূপ প্রতিশ্রুতি আমাদেরকে আশ^ান্বিত করে তুলেছে।
এবারের নির্বাচনে রাজাকার, স্বাধীনতা বিরোধী ও সাম্প্রদায়িকতামুক্ত জাতীয় সংসদ গঠিত হয়েছে। সরকারি দল জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় সুস্পষ্ট যে অঙ্গীকার তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষণা করেছে, তা যথার্থভাবে পালন করবে। সংসদের ভেতরে ও বাইরে তা তাঁরা প্রত্যক্ষ করতে পারবেন বলে আমরা প্রত্যাশা করি।
[মিথুশিলাক মুরমু : আদিবাসী গবেষক ও লেখক]

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here