প্রস্তাবিত বাজেট অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে শক্তিশালী করবে: সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

0
63

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট দেশের আর্থ-সামাজিক বিকাশ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরো শক্তিশালী করবে। এ বাজেটে নেগেটিভ বিষয় বলে কিছু নেই। এটা জনবান্ধব, পজিটিভ দলিল। অনন্য সাধারণ দলিল।

তিনি বলেন, বিএনপি এ বাজেটের বিরোধিতা করবে-এটা তাদের আওয়ামীবিরোধী, শেখ হাসিনাবিরোধী মনোভাবের পরিচায়ক। ১০ বছর ধরে তারা একই কথা বলে আসছে, বিরোধিতা করে আসছে। তার পরও বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এ বাজেট মৌলিক সামাজিক দর্শনের একটি বাজেট, জনগণের কল্যাণের বাজেট। এই বাজেট টেকসই অর্থনীতিকে আরো মজবুত করবে বলে দাবি করেন তিনি।

গতকাল শনিবার সকালে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাজেট-পরবর্তী দলের এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। এ সময় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট পেশ করেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, ২০১৯-’২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবসম্মত, ভারসাম্যমূলক, গণকল্যাণমুখী, যুগোপযোগী ও দলের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নত দেশ গঠনের সব উদ্যোগ ও লক্ষ্য অর্জনে কার্যকর বাজেট এটি। ২০২০ সাল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী, এ বাজেট বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বাজেট।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এ বছরের বাজেটে দলের ঘোষণাপত্র ও নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিফলন ঘটেছে। এ বাজেটের বিস্তৃতি ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ। এ বাজেটে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন, ২১০০ সাল পর্যন্ত ডেল্টা প্ল্যানের বিস্তৃতি রয়েছে। সময়োপযোগী এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত এই বাজেট এক বছরের জন্য দেওয়া হয়েছে। পাঁচ বছরের জন্য দেওয়া হয়নি। আর এক বছরের কর্মসূচি নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির কোনো অবকাশ নেই। বর্তমান সরকার এ বাজেট নিয়ে ২০০৯ সাল থেকে টানা ১১টি বাজেট দিয়েছে। আর ১০টি বাজেটের ফসল হিসেবে দেশের অর্থনীতি বর্তমানে শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। বিএনপির নেতারা বিগত ১০টি বাজেটের পরই বলেছিল, বাজেট বাস্তবায়িত হবে না। দেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়বে। তাদের এ ধরনের বক্তব্য বাস্তবে প্রতিফলিত হয়নি।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়লাভ করলেন, কিন্তু শপথ গ্রহণ করলেন না, আসন শূন্য ঘোষিত হওয়ার পর সে আসনের উপনির্বাচনে দলীয় মনোনয়নও দান করলেন, তার পরও কিভাবে তিনি বর্তমান সরকারকে অনির্বাচিত সরকার বলেন তা কারো কাছেই বোধগম্য নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here